ঢাকা ২১ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মমতার তৃণমূলের পর এবার ভাঙনের মুখে উদ্ধবের শিবসেনা মির্জা আব্বাস আগের তুলনায় অনেকটা সুস্থ: রেল প্রতিমন্ত্রী ভেঙে গেলো ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং, হুমকিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু হামের টিকা দেওয়ায় গাফিলতি তদন্তের দরকার নেই: জিয়াউদ্দিন হায়দার বিকল্প ইঞ্জিনে সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ফেনী ছাড়ল মেঘনা এক্সপ্রেস লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে গেলো ইসরায়েল-হিজবুল্লা ৬ দিনের সফরে মালয়েশিয়া ও চীন যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, রওনা হবেন রোববার দেশে ফিরেছেন ৬১ হাজার ৬৯৭ হাজি মাছ-মুরগি আগের দামে, সবজিতে কিছুটা স্বস্তি ইরানের বন্দর-উপকূল থেকে অবরোধ তুলে নিলো যুক্তরাষ্ট্র

ভেঙে গেলো ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং, হুমকিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জুন, ২০২৬,  1:18 PM

news image

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতু রক্ষার বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় এলজিইডির ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বসানো বাঁশের পাইলিং ভেঙে গেছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে তিস্তা সেতুসহ রংপুর–লালমনিরহাট সংযোগ সড়ক।

শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা থেকে উজান থেকে নেমে আসা ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় সেতুটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। ৩০ মিটারের বেশি অংশ ভেঙে ৬০ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে।

প্রতিদিন মহিপুরের তিস্তা সড়কসেতু দিয়ে অন্তত ৩০–৩৫ হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। হঠাৎ ভাঙনে আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয়রা। ফলে, রংপুর–লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়কের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হবার শঙ্কাসহ লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের তিন গ্রামের এক হাজারের বেশি পরিবার সরাসরি হুমকির মুখে রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বছর ওই বাঁধটির প্রায় ১০০ ফিট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়ে হুমকির মুখে পড়েছিল সেতুটি। তখন ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধের উজানে বাঁশের পাইলিং দিয়ে রক্ষার চেষ্টা করে এলজিইডি। কিন্তু এ বিষয়ে পরবর্তীতে আর কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় সেই বাঁশের পাইলিং ভেদ করে আবারো পানির স্রোতের তাণ্ডবে ভাঙছে বাঁধটি।

ভেঙে গেলো ১৪ লাখ টাকার বাঁশের পাইলিং, হুমকিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু

স্থানীয়দের দাবি, এখনই জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ রক্ষায় পদক্ষেপ না নিলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও রংপুর লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, ‘গত বছর যখন সেতু রক্ষা বাঁধটিতে ভাঙন ধরে, তখন এলজিইডিকে বলেছিলাম ব্লক দিয়ে ভাঙন ঠেকাতে। কিন্তু তারা ১৪ লাখ টাকা দিয়ে সামনে বাঁশের পাইলিং করেছিল। এবার সেই পাইলিংও শেষ। পুনরায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতি ঠেকানো না গেলে সেতুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে। সরকারি অর্থ নয়-ছয়ের কারণেই এই পরিণতি।’

গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, গত বছর ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শন করে এ ধরনের পাইলিং করার পরামর্শ দিয়েছিল। সেকারণে করা হয়েছিল। আবার ভাঙন ধরায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক : ডাঃ শাহ মোঃ রেজাউল করিম
নির্বাহী সম্পাদকঃ মো. বেলাল শেখ